প্রিয় দেশবাসী,

আমাদের প্রিয় মাতৃভূমি বাংলাদেশ করানো মহামারীতে বিপর্যস্ত। বর্ষা শুরুর সাথেই বিপদজনক হারে ডেঙ্গুর প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে । এই সময়টাতে আমাদের সামান্য অসাবধানতাই করোনার মতো আরও একটি ডেঙ্গু মহামারী ডেকে আনতে পারে। যা আমাদের দেশকে মারাত্মক বিপর্যয়ের দিকে ঠেলে দিবে। আর আপনার আমার সামান্য সহযোগীতা ও সচেতনতা উপহার দিতে পারে সুন্দর, স্বাস্থকর নির্মল বাংলাদেশ।

. ডেঙ্গু বাহিত এডিস মশা গুলো পরিষ্কার স্বচ্ছ পানিতে ডিম পাড়ে। সুতরাং বাসার ছাদে বারান্দায় ফুলের টব গুলোতে যেন পানি জমতে না পারে সেদিকে খেয়াল রাখুন

. বৃষ্টিতে পানি জমতে পারে এমন স্থান নিয়মিত পরিষ্কার করুন।

৩. সবচেয়ে বেশী ঝুকিতে থাকে শিশুরা। তাই শিশুদেরকে সর্বদা মশারির মধ্যে রাখার চেষ্টা করুন।

৪. মশারি ব্যবহার না করে ঘুমানো থেকে বিরত থাকুন।

৫. মশার কামড় প্রতিরোধে আরেকটি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হতে পারে শিশুদের ফুল হাতা শার্ট ও ফুল প্যান্ট পরিয়ে রাখা।

৬. এডিশ মশা গুলো সাধারনত ভোর বেলা ও বিকালে কামড়ায়। তাই এই সময়ে বেশি সতর্ক থাকুন।

৭. সাধারনত এই জ্বর নিয়মিত চিকিৎসায় ভালো হয়ে যায়। তবে, কিছু ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম লক্ষ্য করা যায়। যা মারাত্মক বিপদ জনক।

১. টানা ২-৪ দিন জ্বর যদি ১০৪ থেকে ১০৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এর মধ্যে থাকে।

২. বমি, পেট ব্যথা, মাথায়, মেরুদন্ডে, চোখের পিছনে ব্যথা করলে।

৩. অনেক সময় শরীরে এলার্জির মত রেশ বা দাগ দেখা যায়।

১. কিছুক্ষন পর পর 20 সেকেন্ড সময় ধরে সাবান দিয়ে হাত ধৌত করুন। সব সময় হাত ধোয়া সম্ভব না হলে হ্যান্ড স্যানিটাইজার বা জীবাণুনাশক ব্যবহার করুন।

২. নিজ নিজ কর্মস্থল বাসস্থান প্রতিদিন জীবাণুনাশক দিয়ে পরিষ্কার করুন।

৩. হাত দিয়ে চোখ, মুখ ও নাক স্পর্শ করা থেকে বিরত থাকুন অথবা প্রয়োজনে টিস্যু পেপার ব্যবহার করুন।

৪. দরজার হাতল, গেইট বা তালা স্পর্শ করতে হলে সাথে সাথে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে ফেলুন।

৫. বেশি মানুষের সমাগম পরিহার করতে হবে। বিশেষ প্রয়োজনে বাহিরে গেলে বা কারো সাথে দেখা করতে হলে সর্বনিম্ন 3 ফুট দূরত্বে অবস্থান করুন।

৬. নিজের মনোবল কে শক্ত রাখতে হবে ক্ষেত্রে প্রতিদিন কিছু কিছু শারীরিক ব্যায়াম করুন।

৭. জ্বর, গলাব্যথা, শুষ্ক কাশি হলে আতঙ্কিত না হয়ে নিকটস্থ করোনা কেইস সেন্টারে গিয়ে আপনার  নমুনা পরীক্ষা করুন।

মনে রাখবেন, নিজেদের সচেতনতাই পারে আমাদেরকে এই মহামারী থেকে মুক্তি দিতে। আপনি, আমি মিলেই বাংলাদেশ। চলুন নিজে ও অপরকে সুস্থ রাখি, বাংলাদেশকে নিরাপদ রাখি।

 

জনস্বার্থে

নির্মল বাংলাদেশ